সোমবার, ২৪ জুন, ২০১৯

বর্তমান কি ভাবে ইসলামিক দ্বীন কায়েম করবো রাষ্ট্র সমাজের মাঝে


                     ইসলামিক প্রবন্ধ,
প্রবন্ধ লেখক মোঃ মাসুদার রহমান (মাসুদ)
বর্তমান কি ভাবে ইসলামিক দ্বীন কায়েম করবো রাষ্ট্র সমাজের মাঝে ?
এ বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করার  আগে একটি কথা বলি বর্তমান সমাজে এক শ্রেণীর আলেমেরা দ্বীন কায়েমের জন্য জিহাদের কথা বলে, তারা সরকারি বেসরকারী দু এক জন মানুষকে কাফের তাগুত মুরতাদ আল্লাহদ্রোহী  ঘোষণা  দিয়ে তাদেরকে হত্যা করে, তারা রাস্তাঘাটে বোমা মেরে মানুষের মাঝে আতংক সৃষ্টি করে, হরতাল  অবরোধ ভাংচুর পিকেটিং করে দেশ ও জনগনের সম্পদের ক্ষতি করে, তারা এর মাঝে দ্বীন কায়েম করতে চায়, তারা একে জিহাদ বলে, আসলে এর নাম কখনো জিহাদ নয়, এর নাম হলো সন্ত্রাস,  আর এই রখম জিহাদের ছদ্মবেশে সন্ত্রাসী কর্ম কান্ডের মাধ্যমে কিয়ামত পর্যন্ত দ্বীন কায়েম করা সম্ভব নয়,
আবার অনেক আলেমরা দ্বীন কায়েমের জন্য সুফী পথ বেচে নিয়েছেন, তাদের ধারণা মতে রাসুল সাল্লল্লাহু আলাইহিস সাল্লাম দ্বীন কায়েম করেছেন সুফীবাদের মাধ্যমে, তাই তারা সুফীবাদ বেচে নিয়েছেন, আসলে রাসুল সাল্লল্লাহু আলাইহিস সাল্লাম সুফীবাদের মাধ্যম দ্বীন করেন নাই, তাই এমন পদ্ধতিতে  দ্বীন কায়েম করা কিয়ামত পর্যন্ত সম্ভব নয়,
তাই দ্বীন কায়েম করিতে হবে রাসুল সাল্লল্লাহু আলাইহিস সাল্লামের এর  পদ্ধতিতে, রাসুল সাল্লল্লাহু আলাইহিস সাল্লাম যে পদ্ধতিতে দ্বীন কায়েম করে গেছেন, সেই পদ্ধতিতে দ্বীন কায়েম করতে হবে,
কোরআন হাদীস গবেষণা করে দেখা যায়, এবং রাসুল সাল্লল্লাহু আলাইহিস সাল্লাম এর বাস্তব জীবন ইতিহাস থেকে দেখা যায়, রাসুল সাল্লল্লাহু আলাইহিস সাল্লাম  দ্বীন কায়েম করেছেন তিনটি পদ্ধতিতে,
১, দাওয়াত ও তাবলীগের মাধ্যমে, (তথা আল্লাহর একাত্মবাদের ঘোষণা দেওয়ার মাধ্যমে)
২, (সত্য দ্বীন প্রতিষ্ঠার জন্য) বিপ্লবী বক্তৃতা ও সংগ্রামের মাধ্যমে ,
৩, সশস্ত্র জিহাদ ও কিত্বালের মাধ্যমে,
হয়তো অনেকে বলতে পারেন  রাসুল সাল্লল্লাহু আলাইহিস সাল্লাম, এই তিন পদ্ধতিতে দ্বীন কায়েম করেছেন এর দলিল কি?
১, দাওয়াত ও তাবলীগের মাধ্যমে,  (তথা আল্লাহর একাত্মবাদের ঘোষণা দেওয়ার মাধ্যমে) এর দলিল হলো নিচের আয়াত গুলো, আল্লাহতাআলা বলতেছেন,
يٰٓأَيُّهَا الْمُدَّثِّرُ
ওহে বস্ত্র আবৃত (মোহাম্মদ সঃ)
قُمْ فَأَنذِرْ
ওঠ, সতর্ক কর।
وَرَبَّكَ فَكَبِّرْ
আর তোমার প্রতিপালকের শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণা কর।
সুরা মুদ্দাসসির ১-৩
আল্লাহতাআলা অন্যত্রে বলতেছেন,
وَأَنذِرْ عَشِيرَتَكَ ٱلْأَقْرَبِينَ
(হে নবী) তুমি সতর্ক কর তোমার নিকটতম আত্মীয় স্বজনদের
আশ-শু‘আরা ২১৪
আল্লাহতাআলা অন্যত্রে বলতেছেন,
وَلَقَدْ بَعَثْنَا فِى كُلِّ أُمَّةٍ رَّسُولًا أَنِ ٱعْبُدُوا۟ ٱللَّهَ وَٱجْتَنِبُوا۟ ٱلطَّٰغُوتَۖ
প্রত্যেক জাতির কাছে আমি রসূল পাঠিয়েছি (এ সংবাদ দিয়ে) যে, আল্লাহর ‘ইবাদাত কর আর তাগুতকে বর্জন কর।
আন-নাহ্‌ল :৩৬
আল্লাহতাআলা অন্যত্রে বলতেছেন,
أَلَّا تَعْبُدُوٓا إِلَّا اللَّهَ ۚ إِنَّنِى لَكُم مِّنْهُ نَذِيرٌ وَبَشِيرٌ
তোমরা আল্লাহ ছাড়া কারো ‘ইবাদাত করবে না, আমি অবশ্যই তাঁর পক্ষ হতে তোমাদের জন্য ভয় প্রদর্শনকারী ও সুসংবাদদাতা।
সুরা হুদ ২
আল্লাহতাআলা অন্যত্রে বলতেছেন,
وَمَآ أَرْسَلْنَا مِن قَبْلِكَ مِن رَّسُولٍ إِلَّا نُوحِىٓ إِلَيْهِ أَنَّهُۥ لَآ إِلٰهَ إِلَّآ أَنَا۠ فَاعْبُدُونِ
আমি তোমার পূর্বে এমন কোন রসূলই পাঠাইনি যার প্রতি আমি ওয়াহী করিনি যে, আমি ছাড়া সত্যিকারের কোন ইলাহ নেই। কাজেই তোমরা আমারই ‘ইবাদাত কর।
সুরা আম্বিয়া ২৫
আল্লাহতাআলা অন্যত্রে বলতেছেন,
يَٰٓأَيُّهَا ٱلنَّاسُ ٱذْكُرُوا۟ نِعْمَتَ ٱللَّهِ عَلَيْكُمْۚ هَلْ مِنْ خَٰلِقٍ غَيْرُ ٱللَّهِ يَرْزُقُكُم مِّنَ ٱلسَّمَآءِ وَٱلْأَرْضِۚ لَآ إِلَٰهَ إِلَّا هُوَۖ فَأَنَّىٰ تُؤْفَكُونَ
হে মানুষ! তোমরা তোমাদের প্রতি আল্লাহর নেয়ামত স্মরণ কর। (ভেবে দেখ,) আল্লাহ ছাড়া কোন সৃষ্টিকর্তা আছে কি, যে তোমাদেরকে আসমান ও জমিন থেকে জীবিকা দান করে? তিনি ছাড়া কোন উপাস্য নেই। অতএব, কীভাবে তোমরা (তাঁর থেকে) ফিরে যাচ্ছ?
ফাতির :৩
আল্লাহতাআলা অন্যত্রে বলতেছেন,
قُلْ أَرَءَيْتُمْ شُرَكَآءَكُمُ ٱلَّذِينَ تَدْعُونَ مِن دُونِ ٱللَّهِ أَرُونِى مَاذَا خَلَقُوا۟ مِنَ ٱلْأَرْضِ أَمْ لَهُمْ شِرْكٌ فِى ٱلسَّمَٰوَٰتِ أَمْ ءَاتَيْنَٰهُمْ كِتَٰبًا فَهُمْ عَلَىٰ بَيِّنَتٍ مِّنْهُۚ بَلْ إِن يَعِدُ ٱلظَّٰلِمُونَ بَعْضُهُم بَعْضًا إِلَّا غُرُورًا
(হে নবী) তাদেরকে বল, তোমরা আল্লাহ ব্যতীত যাদেরকে ডাক, তোমাদের সেই শরীকদের কথা কি ভেবে দেখেছো? তোমরা আমাকে দেখাও তো, তারা পৃথিবীতে কী সৃষ্টি করেছে? নাকি আসমানে তাদের কোন অংশ আছে?” নাকি আমি তাদেরকে কোন কিতাব দিয়েছি যে তারা তার প্রমাণের ওপর রয়েছে? আসলে জালেমরা কেবল একে অন্যকে প্রতারণামূলক ওয়াদা দিয়ে থাকে।
ফাতির :৪০
২, (সত্য দ্বীন প্রতিষ্ঠার জন্য) বিপ্লবী বক্তৃতা ও সংগ্রামের মাধ্যমে, এর দলিল হলো নিচের আয়াত ও হাদিস,
فَٱصْدَعْ بِمَا تُؤْمَرُ وَأَعْرِضْ عَنِ ٱلْمُشْرِكِينَ
(হে নবী) তোমাকে যে বিষয়ের হুকুম দেয়া হয়েছে তা জোরে শোরে প্রকাশ্যে প্রচার কর, আর মুশরিকদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নাও।
আল-হিজ্‌র ৯৪

আল্লাহতাআলা অন্যত্রে বলতেছেন,
وَأَنذِرْ عَشِيرَتَكَ ٱلْأَقْرَبِينَ
(হে নবী) তুমি সতর্ক কর তোমার নিকটতম আত্মীয় স্বজনদের,
হাদীসে  বর্ণিত আছে যখন রাসুল সাল্লল্লাহু আলাইহিস সাল্লামের উপর এই আয়াত নাযিল হলো তখন রাসুল সাল্লল্লাহু আলাইহিস সাল্লাম আরবের সকল গোত্রদ্বয়কে
একত্রিত করে এক জ্বালাময়ী তাওহীদের বিপ্লবী বক্তৃতা দিলেন হাদিসটি নিম্নরুপ,
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, যখন এ মর্মে আয়াত নাযিল হয়, “তোমার নিকটাত্মীয়বর্গকে সতর্ক করে দাও”- (সূরাহ্‌ আশ্‌ শু’আরা ২৬ : ২১৪) এবং তাদের মধ্য থেকে তোমার নিষ্ঠাবান সম্প্রদায়কেও।”[৭৯] তখন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বের হয়ে এলেন এবং সাফা পর্বতে উঠে উচ্চস্বরে ডাক দিলেনঃ হায়, মন্দ প্রভাত! সকলে বলাবলি করতে লাগল, কে এ ব্যক্তি যে ডাক দিচ্ছে? লোকেরা বলল, মুহাম্মাদ। তারপর সবাই তাঁর কাছে উপস্থিত হলো। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে অমুকের বংশধর! হে অমুকের বংশধর! হে ‘আব্‌দ মানাফ-এর বংশধর! হে ‘আবদুল মুত্তালিব-এর বংশধর! এতে সবাই তাঁর কাছে সমবেত হলো। নাবীজী জিজ্ঞেস করলেনঃ দেখ, যদি আমি তোমাদের এ সংবাদ দেই যে, এ পর্বতের পাদদেশে অশ্বারোহী শত্রু সৈন্য এসে পড়েছে তবে কি তোমরা আমাকে বিশ্বাস করবে? তারা উত্তরে বললঃ তোমাকে কখনো মিথ্যা বলতে তো আমরা দেখিনি। তখন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমি তোমাদের সতর্ক করছি সামনের কঠোর ‘আযাব সম্পর্কে।
বর্ণনাকারী বলেন, আবূ লাহাব তখন এই বলে উঠে গেল “তুমি ধ্বংস হও, তুমি এজন্যই কি আমাদের একত্রিত করেছিলে?” তখন এ সূরাহ অবতীর্ণ হয়ঃ “ধ্বংস হোক আবূ লাহাবের দুই হাত এবং ধ্বংস হোক সে নিজেও …...সূরার শেষ পর্যন্ত।” (সূরাহ্‌ লাহাব ১১১ : ১-৫)
সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ৩৯৬
আল্লাহতাআলা অন্যত্রে বলতেছেন,
ٱدْعُ إِلَىٰ سَبِيلِ رَبِّكَ بِٱلْحِكْمَةِ وَٱلْمَوْعِظَةِ ٱلْحَسَنَةِۖ وَجَٰدِلْهُم بِٱلَّتِى هِىَ أَحْسَنُۚ إِنَّ رَبَّكَ هُوَ أَعْلَمُ بِمَن ضَلَّ عَن سَبِيلِهِۦۖ وَهُوَ أَعْلَمُ بِٱلْمُهْتَدِينَ
জ্ঞান-বুদ্ধি আর উত্তম উপদেশের মাধ্যমে তুমি (মানুষকে) তোমার প্রতিপালকের পথে আহবান জানাও আর লোকেদের সাথে বিতর্ক কর এমন পন্থায় যা অতি উত্তম। তোমার প্রতিপালক ভালভাবেই জানেন কে তাঁর পথ ছেড়ে গুমরাহ হয়ে গেছে। আর কে সঠিক পথে আছে তাও তিনি বেশি জানেন।
আন-নাহ্‌ল ১৬:১২৫
আল্লাহতাআলা অন্যত্রে বলতেছেন,
فَلَا تُطِعِ ٱلْكَٰفِرِينَ وَجَٰهِدْهُم بِهِۦ جِهَادًا كَبِيرًا
সুতরাং তুমি কাফিরদের আনুগত্য করনা এবং তাদের সাথে তুমি কুরআনের সাহায্যে প্রবল সংগ্রাম চালিয়ে যাও।
আল-ফুরকান ৫২

৩, সশস্ত্র জিহাদ ও কিত্বালের মাধ্যমে,
এর দলিল হলো নিচের আয়াত,
وَقَٰتِلُوهُمْ حَتَّىٰ لَا تَكُونَ فِتْنَةٌ وَيَكُونَ ٱلدِّينُ كُلُّهُۥ
তোমরা তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে থাকবে যতক্ষণ না ফিতনার অবসান হয় এবং আল্লাহর দ্বীন সম্পূর্ণ রূপে আল্লাহর জন্য হয়ে যায়।
আল-আনফাল :৩৯
আল্লাহতাআলা অন্যত্রে বলতেছেন,
قَٰتِلُوا۟ ٱلَّذِينَ لَا يُؤْمِنُونَ بِٱللَّهِ وَلَا بِٱلْيَوْمِ ٱلْءَاخِرِ وَلَا يُحَرِّمُونَ مَا حَرَّمَ ٱللَّهُ وَرَسُولُهُۥ وَلَا يَدِينُونَ دِينَ ٱلْحَقِّ مِنَ ٱلَّذِينَ أُوتُوا۟ ٱلْكِتَٰبَ حَتَّىٰ يُعْطُوا۟ ٱلْجِزْيَةَ عَن يَدٍ وَهُمْ صَٰغِرُونَ
যারা আল্লাহর প্রতি ঈমান রাখেনা এবং কিয়ামাত দিনের প্রতিও না, আর ঐ বস্তুগুলিকে হারাম মনে করেনা যেগুলিকে আল্লাহ ও তাঁর রাসূল হারাম বলেছেন, আর সত্য ধর্ম (অর্থাৎ ইসলাম) গ্রহণ করেনা, তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে থাক যে পর্যন্ত না তারা অধীনতা স্বীকার করে প্রজা রূপে জিযিয়া দিতে স্বীকার করে।
আত-তাওবাহ ২৯
তাহলে বুঝা গেলো রাষ্ট্রের মাঝে  দ্বীন কায়েমের পদ্ধতি হলো তিনটি, step by step follow করে দ্বীন কায়েম করতে হবে, এখন যদি কোন সংগঠন বা কোন আলেম মনে করে, আমি এক নম্বর পদ্ধতি দাওয়াত ও তাবলীগের মাধ্যমে (তথা আল্লাহর একাত্মবাদের ঘোষণা দেওয়ার মাধ্যমে)  দ্বীন কায়েম না করে, দুই  নম্বর পদ্ধতি (সত্য দ্বীন প্রতিষ্ঠার জন্য)  বিপ্লবী বক্তৃতা ও সংগ্রামের মাধ্যমে দ্বীন কায়েম না করে, আমি একেবারে তিন নম্বর পদ্ধতি সশস্ত্র  জিহাদ ও কিত্বালের মাধ্যমে দ্বীন কায়েম করবো, তাহলে তার এ নিয়ম নীতি কি ঠিক হবে? না তার এ নিয়ম নীতি ভুল হবে? কারণ রাসুল সাল্লল্লাহু আলাইহিস সাল্লাম এমন নীতিতে দ্বীন কায়েম করেন নাই, রাসুল সাল্লল্লাহু আলাইহিস সাল্লাম step by step follow করে এই তিন নীতিতে দ্বীন কায়েম করেছেন, তাই আপনাদের সর্ব প্রথম  করণীয় হবে,  আপনারা যে রাষ্ট্রের মাঝে দ্বীন কায়েম করবেন, সে রাষ্ট্রের সাধারণ লোকদেরকে, এবং রাষ্ট্রীয় প্রধান লোকদেরকে সর্ব প্রথমে,   
এক  নম্বর ধারা অনুযায়ী তাদের মাঝে  দাওয়াত ও তাবলীগের মেহনত করবেন,  তাদেরকে দ্বীনের দাওয়াত দিবেন, কলেমার দাওয়াত দিবেন তাওহীদের দাওয়াত দিবেন, তাদেরকে নামাজ রোজা হজ্জ যাকাতের দাওয়াত দিবেন, তাদেরকে ন্যায় অন্যায় মেনে চলার জন্য দাওয়াত দিবেন, তাদেরকে হালাল হারাম মেনে চলার জন্য দাওয়াত দিবেন, তাদেরকে সুদ ঘুষ দুর্নীতি রাহাজানি চাদাবাজি ছিনতাই ধর্ষণ খুন খারাপি জেনা ব্যভিচার বর্জন করার জন্য দাওয়াত দিবেন, তাদেরকে আল্লাহর সংবিধান দিয়ে রাষ্ট্র
পরিচালনা করার জন্য দাওয়াত দিবেন, আল্লাহর সংবিধানের শাষণ ব্যবস্থা রাষ্ট্র সমাজে জারি রাখার জন্য দাওয়াত দিবেন, যদি তারা এ গুলি মেনে নেয়, রাষ্ট্র সমাজে নামাজ রোজা হজ্জ যাকাত প্রতিষ্ঠা করে, আল্লাহর সংবিধান দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা করে, আল্লাহর সংবিধানের শাষণ ব্যবস্থা রাষ্ট্র সমাজে প্রতিষ্ঠা করে, তাহলে তো আপনাদের মনোনীত  আকাঙ্ক্ষা পূর্ণ হয়ে গেলো, আর তাদের প্রতি দ্বিতীয় ও তৃতীয়  ধারা কার্যকর করে লাভ কি? তারা তো এখন সত্যিকার অর্থে  মুসলিম, তাদের আনুগত্য করা এখন আপনাদের জন্য ফরজ,
আর যদি তারা আপনাদের দাওয়াত গ্রহন না করে, তারা যদি কলেমার পথে না আসে, তারা তাওহীদের পথে না আসে, তারা যদি রাষ্ট্র সমাজে নামাজ রোজা হজ্জ যাকাত প্রতিষ্ঠা না করে, তারা যদি সমাজ থেকে সুদ ঘুষ দুর্নীতি রাহাজানি চাদাবাজি ছিনতাই ধর্ষণ খুন খারাপি বন্ধ না করে, তারা যদি সমাজে অন্যায় শাষন ব্যবস্থা বন্ধ না করে, তারা যদি সমাজে হারাম দ্রব ব্যবসা বানিজ্য  বন্ধ না করে, তারা যদি রাষ্ট্রে আল্লাহর নাযিলকৃত বিধান দিয়ে দেশ পরিচালনা না করে, তারা যদি রাষ্ট্রে আল্লাহর সংবিধানের আইন রাষ্ট্র সমাজে জারি না রাখে, তাহলে তাদের প্রতি দ্বিতীয় ধারা অনুযারী দাওয়াত দিতে হবে,
দ্বিতীয় ধারা হলো  (সত্য দ্বীন প্রতিষ্ঠার জন্য) বিপ্লবী বক্তৃতা ও সংগ্রামের  মাধ্যমে দ্বীন কায়েম করা, 
বিপ্লবী সংগ্রাম মানে এমন নয়, মারামারি কাটাকাটি খুনাখুনি রক্তপাতে  লিপ্ত হওয়ার জন্য বক্তৃতা প্রদান করা,
বিপ্লবী সংগ্রাম মানে এমন নয়, মারামারি কাটাকাটি খুনাখুনি রক্তপাত করার জন্য সংগ্রাম আন্দোলন করা,
  আপনাদের বিপ্লবী সংগ্রামের দাবী হবে এমন, রাষ্ট্রীয় প্রধানদের প্রতি,
১, আল্লাহর জমিনে আল্লাহর বিধান দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা করতে হবে,
২, আল্লাহর জমিনে প্রতিটি অঞ্চলে আল্লাহর খিলাফত প্রতিনিধি প্রতিষ্ঠা করতে হবে,
৩, সমাজে রাষ্ট্রীয় ভাবে মুসলিমদের জন্য  নামাজ রোজা হজ্জ  যাকাতের বিধান বাধ্যতামূলক ভাবে বাস্তবায়ন  করতে হবে,
৪, সমাজে মুসলিমদের জন্য ধর্মীয় শিক্ষা বাধ্যতামূলক ভাবে নেওয়ার জন্য আদেশ জারি রাখতে হবে,
৫, সমাজে সহ শিক্ষার প্রচলন বন্ধ করতে হবে,
৬, সমাজে হারামকৃত ব্যবসা বানিজ্য  বন্ধ করতে হবে,
৭, সমাজে অন্যায় রাহাজানি চাদাবাজি সুদ ঘুষ দুর্নীতি  দুষ্কৃতী  খুন খারাপি বন্ধ করতে হবে,
৮, সমাজে জেনা ব্যভিচার ধর্ষণ বন্ধ করতে হবে,
৯, আল্লাহ ও তার রাসুল  (সাঃ) কে নিয়ে ব্যঙ্গ বিদ্রুপ কারীকে ও তাদের নিয়ে কূমন্তব্য  পোষণ কারীদেরকে প্রকাশ্যে সমাজে শাস্তি দিতে হবে,
১০, সমাজে কোন ধর্মের প্রতি ব্যঙ্গ বিদ্রুপ কারী ও ধর্মের প্রতি আঘাত হননকারী ব্যক্তিদেরকে প্রকাশ্যে শাস্তি দিতে হবে,
এই হবে আপনাদের বিপ্লবী সংগ্রামের দাবী, এর বাহিরে আপনাদের আর কোন স্বার্থ নিয়ে  কোন সংগ্রাম করা যাবেনা,
একটি কথা বিশেষ ভাবে মনে রাখতে হবে, আপনাদের এই বিপ্লবী সংগ্রাম  যেন রাষ্ট্রীয় প্রধানদের মনে ক্রোধ সৃষ্টি না করে, তাদের সাথে যেন সংঘর্ষ না বাধে, তাদেরকে বুঝানোর মাধ্যমে তাদের প্রতি  তাওহীদের  বক্তৃতা দিতে হবে, যেভাবে রাসুল সাল্লল্লাহু আলাইহিস সাল্লাম দিয়েছেন,  যাতে তারা বিষয় গুলি তাদের বিবেকের জ্ঞানে নিয়ে, ভালো ভাবে উপলব্ধি করতে পারে, এবং তারা যেন আপনাদের দাবী গুলো মেনে নেওয়ার জন্য  ইচ্ছা পোষণ করে,
আরো একটি কথা বিশেষ ভাবে মনে রাখতে হবে, আপনাদের সংগ্রামে যেন রাষ্ট্রীয় সম্পদের কোন প্রকার ক্ষতি না হয়,  রাষ্ট্রীয় প্রধান ব্যক্তিদের কোন প্রকার সম্পদের কোন ক্ষতি না হয়,  এবং সাধারণ ব্যক্তিদের কোন প্রকার সম্পদের ক্ষতি না হয়, দেশের  যানবাহন চলাচল যেন বন্ধ না হয়, দেশের অফিস আদালত মিল ফ্যাক্টরী শিল্প প্রতিষ্ঠান যেন বন্ধ না হয়, আপনাদের সংগ্রামের দাবী হবে শান্তি পূর্ণ যাতে একটি পিপড়াও কোন ক্ষতি না হয়, আর আপনাদের সংগ্রামের দাবী গুলো উত্তাপিত হবে কোন একটি খোলা ময়দানে, কোন কিছু স্থাপনা রাস্তাঘাট যান চলাচল অবরোধ করে নয়,  হরতাল ডেকে নয়,
যেনে রাখতে হবে সহিংসতা ইসলাম ধর্মের কাম্য নয়, ফিতনা ফাসাদ ইসলাম ধর্মের কাম্য নয়, তাই আপনাদের ইসলামিক সংগ্রাম শান্ত শ্লিষ্ট ভাবে করতে হবে, কাউকে আঘাত করে নয়, কাউকে হত্যা করে নয়,কারো সম্পদের ক্ষতি করে নয়, রাস্তাঘাট যান চলাচল  অফিস আদালত মিল ফ্যাক্টরী বন্ধ করে নয়, যাতে রাষ্ট্রীয় প্রধানগণ আপনাদের আদর্শ দেখে, আপনাদের দাবী গুলো স্বেচ্ছায় মেনে নেয়, আর যদি তারা আপনাদের দাবী গুলো মেনে না নেয়, এবং আপনাদের প্রতি শত্রুতা পোষণ করে, আপনাদেরকে ঘৃণা করে,  আপনাদেরকে নির্যাতন করে মাঠ থেকে তাড়িয়ে দেয়, আপনাদেরকে প্রতি মামলা মোকাদ্দমা করে, আপনাদেরকে জেল হাজতে বন্ধি করে, এবং আপনাদের দাবী গুলো নিয়ে ব্যঙ্গ বিদ্রুপ করে, ঠাট্রা উপহাস করে, আপনাদের দাবী গুলো তারা বহিস্কার করে, উল্টো তার বিপরীত আইন পাশ করে, এভাবে তাদের মাঝে প্রকাশ্যে কুফুরী কাজ দেখা গেলে, তাদের কুফুরী কাজের জন্য সমাজের মুসলিম লোকজন সাক্ষ্য দিলে, তখন তাদের প্রতি তৃতীয় ধারা অনুযায়ী কাজ করতে হবে,
তৃতীয় ধারা হলো সশস্ত্র জিহাদ কিত্বালের মাধ্যমে দ্বীন কায়েম করা,
এখানে এ কথার উপর ভিত্তি করে, কেউ যেন এমন না করে, তাড়াহুড়া করে একটি রাইফেল কিনে, অথবা তরবারী দিয়ে, কিছু রাষ্ট্রীয় প্রধান ব্যক্তিদেরকে হত্যা করে বলে আমি দ্বীন কায়েমের জন্য জিহাদ শুরু করেছি,  অথবা কিছু বোমা জমিনে ফাটিয়ে, মানুষের মাঝে আতংক সৃষ্টি করে বলে, আমি দ্বীন কায়েমের জন্য জিহাদ শুরু করেছি, এর নাম কখনো জিহাদ নয়, এর নাম হলো সন্ত্রাস, ইসলামে জিহাদ আর সন্ত্রাস এক নয়, ইসলামে জিহাদ কারী ব্যক্তিদের জন্য আছে জান্নাত, আর ইসলামে সন্ত্রাস কারী ব্যক্তিদের জন্য আছে জাহান্নাম, তাই ইসলামে জিহাদ মানে এমন নয় দু চার জন আল্লাহদ্রোহী তাগুত মুরতাদ কাফেরদেরকে হত্যা করে দিয়ে জিহাদ হয়ে গেলো, কিছু বোমা অফিস আদালতে রাস্তাঘাটে ফাটিয়ে দিয়ে, মানুষের মাঝে আতংক সৃষ্টি করে দিয়ে জিহাদ হয়ে গেলো, এগুলি কখনো জিহাদ নয়, ইসলামে জিহাদের কিছু সঃজ্ঞা আছে, কিছু ধারা আছে, সে ধারা মতো জিহাদ না হলে, তা জিহাদ হবেনা, তাই
ইসলামিক জিহাদের ধারা গুলো উল্লেখ করা হলো,
১, সর্ব প্রথম আমীর নির্বাচন করতে হবে,
২, আমীরের আনুগত্য সকলকে মান্য করতে হবে,
৩, আমীরের আদেশ নিষেধ  সকলকে মান্য করতে হবে,
৪, তাদের জন্য একটি  নিদিষ্ট শহর  বা দেশ দখলে থাকতে হবে, এবং সেই শহরের লোক গুলো যেন সেই আমীরের আনুগত্য মেনে নেয়, এবং শত্রু পক্ষরা  হামলা করলে তারা যেন তাদের প্রতিবাদ করতে অস্ত্র হাতে তুলে নেয়, এমন পরিবেশ সেই শহরের লোকদের  মাঝে তৈরি করে নিতে হবে,
৫, সেই শহরের লোকদেরকে (রাসুল সাল্লল্লাহু আলাইহিস সাল্লামের সাহাবী) আনসারদের মতো তৈরি করে নিতে হবে,
৬, আমীর সাহেব তাদের দলের কার্যক্রমের ঘোষণা স্পষ্ট ভাবে  সমাজে  দিবে,
৭, আমীর সাহেব যুদ্ধ কার সাথে করবে সে ঘোষণা স্পষ্ট ভাবে  প্রকাশ্যে সমাজে দিবে,
৮, আমীর সাহেব যুদ্ধ কি কারণে করবে সে ঘোষণা স্পষ্ট  ভাবে  প্রকাশ্যে সমাজে দিবে,
৯, আমীর সাহেব তাদের দলের যুদ্ধের ঘোষণা  স্পষ্ট ভাবে আন্তর্জাতিক রাষ্ট্র গুলোকে জানাবে, এবং তারা যুদ্ধ  কি কারণে করবে, এবং তা কার সাথে করবে, সে বিষয়ও স্পষ্ট ভাবে জানাবে,
১০, তাদের জন্য যুদ্ধের টেনিং সমাজে প্রকাশ্য ভাবে ব্যবস্থা থাকতে হবে, তবে তারা গুরত্ব পূর্ণ টেনিং গোপনে নিতে পারবে,
১১, তাদের শহরের লোকদের নিরাপত্তার জন্য একদল মুজাহিদ সর্বদাই পাহাড়া রত থাকতে হবে, যাতে শত্রু বাহিনীরা তাদের শহরে প্রবেশ করা মাত্রই তাদের উপর হামলা চালাতে পারে,
১২, তাদের দলের নিরাপত্তার জন্য একদল মুজাহিদ সর্বদাই গোয়েন্দা গিরিতে থাকতে হবে, (নিজ দেশে এবং শত্রুর দেশে ) যাতে দেশীয় মোনাফিক গোষ্ঠীরা, এবং বহিরাগত শত্রু বাহিনীরা, তাদের প্রতি এক যোগে  আক্রমণ চালাতে  না পারে,
১৩, প্রতিটি শহরে গ্রামে তাদের সমর্থনে একটি দল বা একটি ক্লাব থাকতে হবে,
১৪, অন্য শহর থেকে হিজরত করে আসা মুসলিম ভাইদেরকে থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করে দিতে হবে,
১৫, যুদ্ধ শুরু করার আগে যুদ্ধের টেনিং পরিপূর্ণ ভাবে থাকতে হবে,
১৬, যুদ্ধ করার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ অস্ত্র শস্ত্র গোলা বারুদ মজুদ থাকতে হবে,
১৭, যুদ্ধ শুরু করার আগে নিজ শহরের লোকদের, এবং নিজ দলের মুজাহিদ বাহীনিদের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য ব্যবস্থা করতে হবে, (অবশ্য সকল নিরাপত্তা দেওয়ার মালিক আল্লাহতাআলা)
১৮, যুদ্ধ শুরু করার আগে নিজ শহরে পর্যাপ্ত পরিমাণ খাবার মজুদ রাখতে হবে, যাতে দুর্ভিক্ষের সময়ে সে শহরের লোক গুলি, এবং মুজাহিদ বাহীনি গুলি খাবার গ্রহন করতে পারে, (অবশ্য সকল মানুষের রিযক দেওয়ার মালিক আল্লাহতাআলা)
এগুলি হলো ইসলামিক যুদ্ধ করার জন্য নিয়ম নীতি, এগুলি নিয়ম নীতি রাষ্ট্রে বাস্তবায়ন না করা পর্যন্ত, আমীর সাহেব রাষ্ট্রের মাঝে  সশস্ত্র যুদ্ধের ঘোষণা দিতে পারবেনা, তবে এগুলি নিয়ম নীতি রাষ্ট্রে বাস্তবায়ন করার জন্য প্রাণপণ চেষ্টা চালাতে হবে, এ থেকে কারো পিছপা হওয়া যাবেনা, আর এমন কথা কেহ ভাবতে পারবেনা, এমন নিয়ম নীতি কি রাষ্ট্রে বাস্তবায়ন করা সম্ভব???
সম্ভব না হলেও তাকে সম্ভব করতে হবে, কারণ ইসলামিক যুদ্ধ এমন একটি যুদ্ধ যার সু-গভীর পরিকল্পনা, যে পরিকল্পনাতে আছে সবার জান মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, এবং ইসলামের বিজয় নিশ্চিত করা, সে ভাবে পরিকল্পনা করে ইসলামিক যুদ্ধ করা, আর যদি কেউ এমন নিয়ম নীতি রাষ্ট্রে বাস্তবায়ন না করে যুদ্ধের ঘোষণা দেয়, তাহলে সেটা ইসলামিক যুদ্ধ হবেনা, এমন যুদ্ধে মুসলিমরাই বেশি আহত নিহত হবে,  মুসলিমরাই  বেশি ফিতনা ফাসাদে নিম্নজিত হবে, মুসলিমমুসলিমরাই বেশি ধ্বংস হবে, মুসলিমরাই পরাজয় বরণ করবে? তাহলে এমন যুদ্ধ করে লাভ কি? রাসুল সাল্লল্লাহু আলাইহিস সাল্লাম হাদীসে  বলেছেন
আমর ইবনু দীনার (রহঃ) থেকে বর্ণিত তিনি জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যুদ্ধ হল ধোকা।
জামে' আত-তিরমিজি, হাদিস নং ১৬৭৫
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যুদ্ধ হলো কৌশল।
সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস নং ২৮৩৪
তাই  যুদ্ধ করার আগে  অবশ্যই অবশ্যই কৌশল করতে হবে, শত্রু পক্ষকে যুদ্ধ ক্ষেতে ধোকা দিতে হবে, যাতে আপনাদের বিজয় হয় এমন পরিকল্পনা তৈরি  করে এবং সমাজে বাস্তবায়ন করে যুদ্ধের মাঠে নামতে হবে, এভাবেই বর্তমান সমাজে ইসলামিক দ্বীন কায়েম করার সঠিক পন্থা,
এখন যদি কেউ মনে মনে ভাবেন, আমাদের সমাজে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত, আমরা দাওয়াত ও তাবলীগের মাধ্যমে দ্বীন কায়েম করতে যাবো কেন? আমরা বিপ্লবী বক্তৃতা ও সংগ্রামের মাধ্যমে দ্বীন কায়েম করতে যাবো কেন? আমরা সশস্ত্র জিহাদ ও কিত্বালের মাধ্যমে দ্বীন কায়েম করতে যাবো কেন? আমরা গণতান্ত্রিক ভোট পদ্ধতির মাধ্যমে ইসলামিক দ্বীন কায়েম করবো, তাদের জন্য আমি একটি বই লেখেছি,
ইসলামিক রাষ্ট্র  কায়েমের পদ্ধতি (গণতন্ত্র) একটি ব্যতিক্রম গবেষণা মুখী  প্রবন্ধ,
গণতান্ত্রিক ভোট পদ্ধতির মাধ্যমে কিভাবে ইসলামিক রাষ্ট্র কায়েম করা সম্ভব ? অথবা
কোন পদ্ধতিতে গণতান্ত্রিক ভোট ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ইসলামিক রাষ্ট্র কায়েম করা সম্ভব?
এই প্রবন্ধটি শুধু সেই সব জ্ঞানী গুণী আলেমদের উদ্দেশে লেখা যারা গণতান্ত্রিক ভোট পদ্ধতির মাধ্যমে ইসলামিক রাষ্ট্র কায়েম করতে চায়,
এই প্রবন্ধটি সেই সব জ্ঞানী গুণী আলেমদের প্রয়োজন যারা গণতান্ত্রিক ভোট পদ্ধতির মাধ্যমে ইসলামিক রাষ্ট্র কায়েম করতে চায়?
তাই আমি তাদেরকে নিবেদন করবো এই বইটি পড়ার জন্য, এই বইটি পড়লে বুঝতে পারবেন কিভাবে গণতান্ত্রিক ভোট পদ্ধতির মাধ্যমে দ্বীন কায়েম করা সম্ভব৷
            সমাপ্ত











কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ইসলামিক রাষ্ট্র কায়েমের পদ্ধতি গণতন্ত্র

   ইসলামিক রাষ্ট্র  কায়েমের পদ্ধতি (গণতন্ত্র)   একটি ব্যতিক্রম গবেষণা মুখী  প্রবন্ধ৷   লেখক, মোঃ মাসুদার রহমান (মাসুদ) গণতান্ত্রিক ভোট...